কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬ এ ০১:১৭ PM
কন্টেন্ট: নোটিশ প্রকাশের তারিখ: ১৯-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩১-০৭-২০২৬
গবাদিপশুতে নাইট্রেট বিষক্রিয়া রোধে করণীয়:
দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টিপাতের ফলে জন্মানো কচি ঘাস খাওয়ানোর কারণে গবাদিপশু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করার ঘটনা ঘটতে পারে। সাধারণত এ ধরনের কচি ঘাসে নাইট্রেটের মাত্রা বেশি থাকে, যা গবাদিপশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এ প্রেক্ষিতে, বৃষ্টির পরবর্তী সময়ে কচি ঘাস সরাসরি গবাদিপশুকে খাওয়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য খামারিদের মধ্যে নিম্নোক্ত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন:
১। দীর্ঘমেয়াদি খরার পর বৃষ্টির ফলে জন্মানো কচি ঘাস সরাসরি খাওয়ানো থেকে বিরত রাখতে হবে। মাঠ থেকে সংগৃহীত কাঁচা ঘাস পশুকে খাওয়ানোর পূর্বে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে ২-৩ ঘণ্টা মাচার উপর রেখে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। এতে নাইট্রেট বিষক্রিয়ার ঝুঁকি কমবে।
২। ইউরিয়া সার প্রয়োগের পর জন্মানো কচি ঘাস খাওয়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ইউরিয়া দ্রুত ঘাসের শিকড় দ্বারা শোষিত হয়ে নাইট্রেট আকারে জমা হয়। ফলে এ ধরনের ঘাসে নাইট্রেটের মাত্রা বেশি থাকতে পারে। তাই সার প্রয়োগের পরপরই সেই ঘাস গবাদিপশুকে খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩। কচি ঘাস খাওয়ানোর পর গবাদিপশু অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
প্রচারে: উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।